Breaking News
Home / TRENDING / শোভনের তৃণমূলে ফেরার ইঙ্গিত পেতেই বিজেপি সাংসদের সঙ্গে সাক্ষাৎ রত্নার

শোভনের তৃণমূলে ফেরার ইঙ্গিত পেতেই বিজেপি সাংসদের সঙ্গে সাক্ষাৎ রত্নার

নীল রায়।

বেলেঘাটায় একটি বাড়ির জগদ্ধাত্রী পুজোর নিমন্ত্রণে গিয়ে প্রায় ঘণ্টাখানেক বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁর (Soumitra khan) সঙ্গে কথা হল শোভন চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী রত্নার। বুধবার রত্না চট্টোপাধ্যায় তাঁর আইনজীবীর বেলেঘাটার বাড়িতে জগদ্ধাত্রী পুজোর অনুষ্ঠানে যান। সেখানেই তার সঙ্গে দেখা হয় সৌমিত্র ও তাঁর স্ত্রী সুজাতার। শোভন বৈশাখী ফের তৃণমূলের কাছাকাছি আসতেই কী রত্না চট্টোপাধ্যায় (Ratna chatterji) যোগাযোগ শুরু করেছেন গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে? এমন প্রশ্নের ঘোরাফেরা করছে রাজনৈতিক মহলে।

সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে ভাইফোঁটা নিতে চান শোভন চট্টোপাধ্যায়, সঙ্গে জান বৈশাখীও। অথচ চলতি বছর ১৪ আগস্ট যেদিন দিল্লিতে শোভন-বৈশাখী বিজেপিতে যোগদান করেন, সেদিনই সন্ধ্যায় বেহালার এক অনুষ্ঠানে এসে শোভন পত্নীকে দায়িত্ব নিয়ে দলের কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু দিদির স্নেহের কানন আবার ঘরে ফেরার ইঙ্গিত দিতেই নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। এই সূত্র ধরেই সৌমিত্র-রত্নার বৈঠককে অমূলক বলে উড়িয়ে দিতে নারাজ ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

বৈঠকের কথা স্বীকারও করেছেন সৌমিত্র খাঁ। বিজেপি (BJP) সাংসদ বলেন, “সৌমিত্র বলেন, “শোভন-বৈশাখী জল্পনা শেষ। যদিও ওঁর বিজেপিতে যোগদান নিয়ে কথা হয়নি। উনি যদি আসতে চান তা হলে উচ্চ নেতৃত্বকে জানাব। তাঁরা যদি স্বাগত জানান, তা হলে বিজেপি আরও শক্তিশালী হবে।” তিনি আরও বলেন “আমার সঙ্গে এ বিষয়ে রত্নাদেবীর কোনও কথা হয়নি। কিন্তু রাজনৈতিক বিষয়ে অনেক কথা হয়েছে।”  তবে এই জল্পনা নিয়ে মুখ খুলতে চাননি রত্না চট্টোপাধ্যায়।

শোভন যখন তৃণমূলে (TMC) ছিলেন, তখন তাঁর স্ত্রী রত্নার রাজনৈতিক গুরুত্ব কিছুই ছিল না। কিন্তু শোভনের সঙ্গে দলের দূরত্ব বাড়ায় মন্ত্রী-মেয়র পদ ছেড়ে দেন। বেহালার বাড়ি ও পরিবার ছেড়ে গোলপার্কের পাকাপাকি বাসিন্দা হন প্রাক্তন মেয়র। এই সময় থেকেই হঠাৎই তৃণমূলে সক্রিয় হন রত্না। বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Boishakhi Banerjee) সঙ্গে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তৃণমূলে রত্নার গুরুত্ব বাড়ে। শোভন চট্টোপাধ্যায়ের (Shovan chatterji) ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডে সক্রিয় রাজনীতি শুরু করেন রত্না। বুধবারও বেহালার পঞ্চাননতলা লেনের একটি অবৈধ পুকুর খনন রুখতে মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে যান তিনিই। এমতাবস্থায় শোভনের সঙ্গে বৈশাখীকেও তৃণমূল মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত পেয়েছেন তিনি। বিজেপির সঙ্গে শোভনের সম্পর্ক আলগা হতেই গেরুয়া নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগের পথ খুলে দিয়েছেন রত্না। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Spread the love

Check Also

পাকিস্তান-আফগানিস্তান-বাংলাদেশে অত্যাচারিত অমুসলিমদের জায়গা দিতেও NRC, জানালেন শাহ

ওয়েব ডেস্ক: নির্দিষ্ট ধর্মপ্রধান প্রতিবেশী কয়েকটি রাষ্ট্রে অত্যাচারিত অমুসলিমদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য NRC বিশেষ প্রয়োজন …

দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে প্রিয় স্মরণ সোমেনের

নীল রায়। প্রয়াত কংগ্রেস নেতা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সীকে স্মরণ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র (Somen …

রাজ্যের দোষেই জয়েন্ট প্রবেশিকায় বাংলা নেই, প্রামাণ্য চিঠি সহ টুইট রাজ্যপালের

ওয়েব ডেস্ক: রাজ্যপালের টুইটে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। এদিন জগদীপ ধনখড় টুইট করে, রাজ্যের দোষেই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *