Breaking News
Home / পার্বণী / পার্বণী কবিতা

পার্বণী কবিতা

দীর্ঘ কবিতা, কিশোর ঘোষ

 কিশোর ঘোষ   নীল পরির গল্প কিছু গুহ্যকথা, এলোমেলো… কতো দুপুরের বাথরুমে ফোটা ফোটা মাফিয়া-স্নানের চিহ্ন পড়ে আছে… লাজুক অন্তর্যামীর ফসলে ভরা, সে অন্য জগৎ সেই অতৃপ্ত-পৃথিবীর আত্মা দেখেছি আমি আধমরা রাত্রির নদীর চরে— মানুষের অসমাপ্ত প্রতিলিপি পোড়াচ্ছে আরেক মানুষ! এসো, মন দিয়ে সেই ইতিহাস খুঁড়ি বেদনার সঙ্গে চেতনার অস্থি-কঙ্কালের …

আরও পড়ুন »

অরুণাভ রাহারায়-এর কবিতা

 অরুণাভ রাহারায়   উড়ান সে জানে রাত্রির গুহা, স্রোতের তপস্যা জল ছাড়া কেউ বুঝি হাসি হতে পারে! সে কেবল বইতে জানে, জেগে ওঠে চরে। বৃষ্টির আবহ তাকে ধাতু জ্বেলে দেয় নদীতে বিষণ্ণ ভাসে মাছের করোটি এই রাতে ভালো নয় কাদের চরিত্র? কাদের কাদের সঙ্গে সন্ধ্যার সাঁতার? খুব বেশি দূরে নয় …

আরও পড়ুন »

অরণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা

 অরণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় লেখবুদ্ধ প্রত্যেক মানুষের গভীরতম অরণ্যে বসে আছি নির্জনহৃদয়ের বোধিবৃক্ষের নিচে করি ধ্যান অপটু সাধক। চক্ষু নাই, মুখ বেঁকে যায়, চোয়ালের হাড়ে জঙ ধরে দিনে দিনে কখনও মনে হয়, ডান উরুর ওপর দিয়ে চলেছে সারিবদ্ধ পিঁপড়ে শৃঙ্খল। কিন্তু নড়ি না। কখনও মনে হয়, সাপের ঠান্ডা খোলোস পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে উঠছে …

আরও পড়ুন »

তন্ময় মণ্ডলের কবিতা

 তন্ময় মণ্ডল ছায়া নদীর জলে ভেসে থাকে যে ছায়া, আমি তাকে সমর্পিত আত্মা বলি। কত জল বয়ে যায়… পাড় ভাঙে বাঁধ ভাঙে… বেঁচে থাকে, থাকার চেষ্টা করে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ছায়া কত জল শুষে নেয় কালের প্রলেপ। রঙ লাগে, ফিকে হয়… নিয়তিই শেষ কথা বলে সময় সবটা জানে। ভেসে থাকা ডুবে …

আরও পড়ুন »

সৈকত ঘোষ-এর কবিতা

 সৈকত ঘোষ   বিসর্জনের ক্রিয়াপদ একা মাইল-ফলক জানে অপেক্ষার দুটো হাত থাকে। অপেক্ষা শিউলি ঝরা ভোর, অপেক্ষা চাঁদের ভরাট বুকে আলো-আঁধারি ডুবে যাওয়া। যে হাত বসে আছে না ছোঁয়া দূরত্বে তারও একটা জানলা আছে, আছে প্রায় মুছে যাওয়া একটা চিলেকোঠা। ওয়াচ টাওয়ার থেকে যতটা দূরত্ব বোধিবৃক্ষের, যতটা হাজার খণ্ড জুড়ে …

আরও পড়ুন »

সুদীপ চক্রবর্তী’র কবিতা

  সুদীপ চক্রবর্তী সহজে সিদ্ধিলাভ  এবছর ভালোই ছিল চোরাচালানের বাজার সীমান্তে দাঁড়িয়ে আছে ট্রাক, বেশ চাহিদা ছিল গাঁজার, মদের আয়ই শ্রেষ্ঠ আয় প্রমাণ করেছে রাজ্য। এখন বন্ধুবান্ধবদের মধ্যেই কেউ কেউ অ্যাসাইলামে যায়, আমরাও তো বেশ কেটে যাচ্ছে লোন শোধ আর টাকা জমাবার অঙ্গীকার নিয়ে। দেশ সম্পর্কে জরুরি মতামত দিই ঠেকে …

আরও পড়ুন »

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা

 সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়   এক একটা খুন থাকে সমুদ্রে দলবেঁধে বেড়াতে যায় লোকে সমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে তবু প্রত্যেকে অসামান্য একা হয়ে যায় “ওশেনিক টিউলিপ” রিসর্টের মাথায় চাঁদ ওঠে, ঝাউবনে জেগে ওঠে অজানা মাছের কঙ্কাল লোনাজল, লং ড্রাইভ, লোনা ঠোঁটের দিন শেষ হয়ে আসে, বালিতে পড়ে থাকে বিষণ্ণ ভদকা ও গোলাপি চটির …

আরও পড়ুন »

সৌম্যজিৎ আচার্য-এর কবিতা

 সৌম্যজিৎ আচার্য   এখানে কোনও বাধানিষেধ নেই প্রতি ছাদে মেলা আছে লোক প্রতিটা জানলায় ঝুলছে তরুণীরা তুমি চাইলে যাকে ইচ্ছে বেছে নিতে পারো এ শহরে কোনও বাধানিষেধ নেই এখানে বাড়ির দালানে বয়স্কদের গমের মতো শুকতে দিয়েছে কেউ তাদের কাছে গল্পের জন্য যাও এ গাছ থেকে অন্য গাছে চলে গেছে তার …

আরও পড়ুন »

সুমন মল্লিকের কবিতা

 সুমন মল্লিক   স্বপ্নভঙ্গ কীভাবে কুরে কুরে খায় বুকের মাটি ফুলে ওঠে অভিমানে, কিছুটা ঘোরতর অনুশোচনায় ৷ কেউ নয়, শুধু অঙ্গ জানে স্বপ্নভঙ্গ কীভাবে কুরে কুরে খায় ৷ রাতের সংসার এলোমেলো, দিনে তরীখানি টেনে উপভোগ করি না কিছুই, অধর্মে পালন করি ভিখু মনের উপবাস– কখনও কখনও নিমেষে আলো হয়ে দেখা …

আরও পড়ুন »

সুদীপ্ত দাশের কবিতা

 সুদীপ্ত দাশ   মেঘ আর ওষ্ঠ বাগিচা প্রতিরাতের মতো আজকেও বেঁচে ফেরা। অথচ না ফিরলেও চলতো! এভাবে মরা সাহেবের মতো মরে-বেঁচে কার ভালো লাগে? কে চায় নিজেকে ছেড়ে আমাকে বাঁচাতে! অথচ ঘুমের সময় হলে আমাকেই প্রতিরাতে ভাবে। যে কোনও জোনাকি জোছ্না আর কতদিন ভালো লাগে ? পশম খোলসে মোড়া প্রতিটা …

আরও পড়ুন »

দু’টি কবিতা, দেবরাজ চক্রবর্তী

 দেবরাজ চক্রবর্তী   অজাতক ধুলো মেখে দাঁড়িয়েছে ক্ষমাহীন প্রাণ বীরের হাতের থেকে অস্ত্র খসে পড়ে শিয়রে শমন নিয়ে ঘুম ভাঙে ভোর প্রতিবাদ ছুটে আসে নগরে নগরে নিরুপায় জননীর কলঙ্কবোধ ভাসিয়েছে সন্তান অন্তহীন দেশে পুরাকাল থেকে বীর মার নিয়ে ঘোরে কখনো দেবতা আসে ব্রাহ্মণের বেশে।   প্লাবন সভ্যতা দুলে ওঠে পৃথিবীর …

আরও পড়ুন »

কমলেন্দু সরকারের কবিতা

 কমলেন্দু সরকার অন্ধকারের বীজ অন্ধকারের বীজ, ছেঁড়া চাদরে লেগে মোহিনী আড়াল করেছে নির্জন বিষ চারিদিকে ফ্যাকাশে রঙের চোরাগলি পেরিয়ে হেঁটেছি আগুনে রাস্তায়। সিঁড়ি থেকে গড়িয়ে যেতে দেখেছি আপেল দেখেছি ঢেউ। রোদ বৃষ্টি সঙ্গে নিয়ে হেঁটেছি ভালবাসার গন্ধে শালিক উড়ে গ্যাছে খিদের ভিতর চিত হওয়া স্বপ্নের ভিতর। জোনাক পোকা লেগেছে চাঁদের …

আরও পড়ুন »

বিভাস রায়চৌধুরীর কবিতা

 বিভাস রায়চৌধুরী   ভালবাসা একজন-দু’জন করে অন্ধকারে মিশে যাও… যেন কেউ জানতে না পারে! # পৃথিবীতে ভালবাসা নেই পৃথিবীতে ভালবাসা নেই # —এই কথা আমরা মানি না! # লুকিয়ে পড়ি গে, চলো, চুম্বনের বাদামপাহাড়ে…

আরও পড়ুন »

তীর্থঙ্কর মৈত্র-এর কবিতা

 তীর্থঙ্কর মৈত্র   আমার আলো যে তুমি, রানু  ।।১।। রানু, ফাল্গুন এসেছে ফের! কত পাতা ঝরে আছে, নতুন পাতায় ভরা ডালে এখনও দুই একটি পাতা থেকে গেছে ,তারা চুপি চুপি ঝরে পড়ে হাওয়া লেগে । নীচে গাছতলা ভরা পাতা । ওরাও মিশছে তাদের দলে । দুপুরের অবসরে বসে ঝুলবারান্দায়—দেখি এই …

আরও পড়ুন »

কবিতাগুচ্ছ, সুব্রত রায়চৌধুরী

 সুব্রত রায়চৌধুরী   ঈশ্বর সন্ধ্যার এক কোণে কুপি আড়ালে উনুন। এখানে কাঠ, ঘুঁটে, কেরোসিন তিন দিন আগুন জ্বলেনি। সন্ধ্যার এক কোণে কুপি আগুন জ্বালাবার ঈশ্বর ঘুমিয়েছে সেইখানে।   তর্পণ এই কার্তিকের উঠোনে একা শুয়ে আছো। পায়ের গোড়ালি ছুঁয়ে শেষ চরণামৃত ঝরে পড়ছে মাটিতে। অগ্নিস্নানে চলে গেলে তুমি… সেই থেকে কুশ …

আরও পড়ুন »

স্বপন রায়ের কবিতা

 স্বপন রায় উদাসীন মল্ট পাঁজর ফুঁড়ে বেরিয়ে যাওয়ার আগে, বুলেটবেগানা কোথায় যায় রোদ সরোদ অব্দি যায়,  নাকি সামান্য স্রোত চোখের যেখানে কুহকমেশা চা নির্ভারচিত মেয়েটির হাতে তুচ্ছ বারুদ পাঁজর খুলছে ঘি ঘি টিশার্ট সয়ে যাওয়া ফুল বয়ে যাওয়া নদীর তাকে ভাসবে যখন বুলেটও আর্দ্র হল ফুঁড়ে যাওয়া কী অবাক ফুটে …

আরও পড়ুন »