Breaking News
Home / সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

একইসঙ্গে বাঙালি এবং প্রবলভাবে ভারতীয়

 সুমন ভট্টাচার্য দোতলা এল-নাইন-এ উঠে চলে যাওয়ার আগে আপনি হাত নেড়ে বলেছিলেন, ‘চিন্তা করিস না মিহির, আমি ঠিক পৌঁছে যাব।’ সেটা আশি সাল, কংগ্রেস (স)-এর হয়ে দাঁড়িয়ে আপনি দক্ষিণ কলকাতা এবং পুরুলিয়া লোকসভা কেন্দ্র থেকে খারাপ ভাবে হেরে গিয়েছেন। এক সময় যিনি সর্বভারতীয় যুব কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন, গোটা ভারতবর্ষের কংগ্রেস …

আরও পড়ুন »

‘বুড়িমার’ জন্য কত বুড়িমার অক্কা তোলার হাল! সে সব জানে আমাদের ছোটবেলা

 কিশোর ঘোষ: বুড়িমার বানানো বাজিতে বুড়ি মা-বাবাদের প্রাণ ওষ্ঠাগত। না, এ আজকের কথা না। কারণ ব্র্যান্ড বুড়িমা আজ আর শব্দ বাজি বানায় না। এখন নিষিদ্ধ। ১৯৯৬ সাল নাগাদ সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ হয় ৯০ ডেসিবেলের বেশি যাবতীয় শব্দবাজি। কিন্তু তার আগের ইতিহাস সবার জানা। সেকালে কালীপুজো মানেই শব্দবাজি। এবং অবশ্য অবশ্যই …

আরও পড়ুন »

দিলীপ, রাহুল, তথাগতরা আত্মঘাতী বাঙালি

 দেবাশিস দাশগুপ্ত: বাংলায় এতদিন রাজনীতি করেও এঁরা বাংলা এবং বাঙালির নাড়িটা বুঝতে পারলেন না। তা না হলে একজন বাঙালি নোবেলজয়ী সম্পর্কে কেউ অর্বাচীনের মতো নানা কটূ মন্তব্য করতে পারেন? বলছিলাম বিজেপির বাঙালি নেতাদের কথা। অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরেই তেড়েফুঁড়ে উঠেছেন একাধিক বিজেপি নেতা। দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ …

আরও পড়ুন »

সাদা গরুর কালো দুধ! রাহুল-দিলীপকে কী বলতে পারেন ঐশ্বর্য রাই

 দেবক বন্দ্যোপাধ্যায়: গরু তো আপনারা চেনেন। গো-মাতার মাহাত্ম্য জানুন বা না জানুন, গরু আপনারা বিলক্ষণ চেনেন। তা চিনুন। তবে হয়েছে কী জানেন, দলীয় দফতরে বসে গবাক্ষের দিকে তাকিয়ে অধিকতর রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জনের দিবাস্বপ্ন দেখতে দেখতে নিত্য প্রবহমান রাজনীতির গবেষণাটা আর করা হয়নি আপনাদের। সময় পাল্টে যাচ্ছে দ্রুত। এখন আর শুধু …

আরও পড়ুন »

মোদী-অভিজিৎ সাক্ষাত, মাঠে মারা গেল বামেদের ‘মেরে পাস অভিজিৎ হ্যায়’ স্লোগান

 সুমন ভট্টাচার্য মেরে পাস অভিজিৎ হ্যায়! অমিতাভ বচ্চনের ‘জঞ্জির’ সিনেমার সেই আইকনিক সংলাপের অনুকরণে রাজনৈতিক নাটক বা কুনাট্য দেখলাম আমরা গত এক সপ্তাহ ধরে। ‘জঞ্জির’-এ অমিতাভ বচ্চনের সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর পুলিশ অফিসার ভাই, শশী কাপুর বলেছিলেন, ‘মেরে পাস মা হ্যায়’। আর অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় অর্থনীতিতে নোবেল পাওয়ার পর থেকে তিনি …

আরও পড়ুন »

দিদির উপরে দাদা সত্য, তাহার উপরে নাই

 গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়: অমিত শাহ নিশ্চয় নির্বাচনী পাটিগণিতের সমীকরণ সেরে অঙ্কটা মিলিয়ে ফেলেছেন। দাদাকে শুধু কাছে টানা নয়, একেবারে চৌকাঠ পার করে অন্দরমহলে নিয়ে এসে ফেলেছেন। একদিকে ছেলে, অন্যদিকে দাদা। কী কম্বিনেশন! আর তাই তো জয়ের সৌরভে আমোদিত বাংলা। সমস্যা বাধছে অন্যত্র। বাড়ির খিড়কি দরজা দিয়ে দাদার এই অকস্মাৎ প্রবেশের ফলে …

আরও পড়ুন »

রাজীব কুমার: অন্তর্ধান না অপহরণ? ফেলুদার কপালে ভাঁজ

 দেবক বন্দ্যোপাধ্যায়: আচ্ছা ফেলুবাবু মিত্র কাফের মিত্ররা কি আপনাদের আত্মীয়? প্রশ্নকর্তা আর কেউ নন, রহস্য রোমাঞ্চ ঔপন্যাসিক লালমোহন গাঙ্গুলি। ফেলুদা সংক্ষেপে জবাব দিল, ‘না।’ এই ধরনের প্রশ্ন লালমোহন বাবুর কাছ থেকে অভিপ্রেত। কিন্তু পরের প্রশ্নটার জন্যে ফেলুদা একেবারেই প্রস্তুত ছিল না। জটায়ু জিজ্ঞাসা করলেন, তাহলে আর্মহাস্ট স্ট্রিটের মিত্ররা? মানে সোমেন …

আরও পড়ুন »

EXCLUSIVE: ‘যাদবপুর’ পরবর্তী সকালে শহরে আড্ডায় মাতলেন রশিদ খাঁ ও মোহন ভাগবত

 দেবক বন্দ্যোপাধ্যায়: শহর যখন রাজীব কুমার, মমতা-মোদী সাক্ষাৎ পেরিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাবুলে মজেছে তখনই এই শহরের বুকেই বসল একটি অন্যরকম আড্ডা। কোথায়? কার বাড়িতে? গৃহকর্তার নাম উস্তাদ রশিদ খাঁ। আর আড্ডার মধ্যমণি সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। আড্ডার বিষয় কী? আড্ডার আবার বিষয় লাগে? পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্য না হলেও সূত্রের দাবি নিছকই …

আরও পড়ুন »

রাজীব কুমার অন্তর্ধান: ফেলু-ব্যোমকেশের মতান্তর চরমে

 দেবক বন্দ্যোপাধ্যায়: আজকাল আগের মত খাওয়াদাওয়া করি না। ব্যোমকেশ খাদ্যাভ্যাস একই রাখলেও আমি বদলেছি। সকালে জলখাবারে মুড়ি খাই। দুপুরে অল্প ভাত, নিরামিষ তরকারি। রাতে দুটো রুটি, অল্প সবজি। ব্যোমকেশ আমাকে গরুছাগল জ্ঞান করছে আজকাল। সত্যবতীও অভিমানী। তার হাতের লুচি আমি এখন ছুঁই না। এইরকমই চলছে টানা দু’টি বছর ধরে। গতকাল, …

আরও পড়ুন »

রাজীব কুমার কোথায়? প্রশ্ন করল তোপসে, উত্তর দিল ফেলুদা

 কিশোর ঘোষ: বললাম ভাববাচ্যে, ‘আমার তো মনে হয় হাওড়ার দিকের ওই প্রশাসনিক বাড়িতেই রাজীব কুমার ঘাপটি মেরে আছে।’ কথাটা বলে ভয়ে ভয়ে ফেলুদার দিকে তাকালাম। নির্ঘাত বকা খাবো। অবশ্য বকা খেতে পারি ভেবেই সরাসরি না বলে বক্তব্যটা হাওয়ায় ভাসিয়েছি। কিন্তু সেটা যে ফেলুদাকে শুনিয়েই বলা তা বলা বাহুল্য। এতক্ষণে নিশ্চয়ই …

আরও পড়ুন »

এবার কার পালা? ভীত ওঁরাই বলুক, জেলে পোরার সময় কতটুকু সম্মান প্রাপ্য ওঁদের!

নিজস্ব সংবাদদাতা: লোকসভা ভোটের পর সব কেমন গুলিয়ে গেল! শুধু রাজ্য রাজনীতিতে না, গোটা দেশেই। চারদিকে আজব কাণ্ড ঘটে চলছে কেবল! এই যেমন আজ পি চিদাম্বরমের গ্রেফতারি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, জেলে পুরুন কিন্তু সম্মান দিয়ে পুরুন। কেন? যেহেতু চিদাম্বরম কংগ্রেস নেতা, তদুপরি প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী, একদফায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দায়িত্বও সামলেছেন। মমতা …

আরও পড়ুন »

একটি আপাত কল্পবিজ্ঞান: ভালো পাঁচিলওলা বাড়ির সন্ধান করছে টিম পিকে

সুমন ভট্টাচার্য: বুধবার রাত ১২টার পরেই ফোন চলে গিয়েছিল পিকে’র টিমের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের কাছে। ভালো পাঁচিলওলা বাড়ির সন্ধান করে দেওয়ার জন্য। একটু থতমত খেয়ে গেলেও মাঝরাতেই কিন্তু পিকে’র লোকজন জানিয়ে দেন, ‘স্যার, ওনারা কিন্তু পাঁচিল টপকেও ঢুকে আসছেন।’ ফোনের ওপাশে থাকা শাসক দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের নার্ভাস গলায় তাও যুক্তি ছিল, …

আরও পড়ুন »

তথাকথিত প্রগতিশীলরা মোদীকে উপেক্ষা করে নগ্ন করছেন নিজেদেরই অসারতা

সুমন ভট্টাচার্য: আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি বিরোধিতা যে কোনও গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ। যদি মত প্রকাশের স্বাধীনতা না থাকে তাহলে গণতন্ত্রের বিকাশ হওয়া সম্ভব নয়। তাই কাশ্মীর নিয়ে নরেন্দ্র মোদী সরকারের যদি কেউ সমালোচনা করেন, তাহলে সেটা গণতন্ত্রের জন্য সুস্থ লক্ষণ। কিন্তু বিষয়টা সমালোচনায় থামছে না। বামপন্থীরা যেন অধীর আগ্রহে …

আরও পড়ুন »

মাননীয় মোদী, আপনি খুব খারাপ লোক

সুমন ভট্টাচার্য: মান্যবর, আপনি একজন খারাপ লোক। আপনি খারাপ লোক, কারণ আর কেউ যেটা পারে না, সেটা আপনি করে দেখিয়েছেন। আমরা, মানে বাঙালিরা যে শ্যামাপ্রসাদকে ভুলে গিয়েছিলাম, হৃদয়ের কুলুঙ্গিতে কিংবা মনের মণিকোঠাতেও স্থান দিতে ভয় পেতাম, তাঁকে আপনি সসম্মানে ভারতাত্মা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছেন। আপনি প্রমাণ করে দিয়েছেন, কাশ্মীর ভারতের …

আরও পড়ুন »

অপর্ণা গৌতমরা হিসেব করে রাগ করেন, প্রিয়া সাহার পক্ষে দাঁড়ানো তাঁদের ফ্যাশন বিরোধী

সুমন ভট্টাচার্য: তবরেজ আনসারিকে যখন জয় শ্রী রাম বলানোর জন্য পেটানো হচ্ছিল, তখন ঘৃণায় আমার গা রিরি করছিল। কোনও সভ্য গণতান্ত্রিক দেশে এটা হতে পারে না। ঠিক একইরকম ভাবে আমার অসহায় লাগে, যখন প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে ‘দেশদ্রোহীতার’ অভিযোগ আনা হয়। প্রিয়া সাহার নাম যাঁরা শোনেনি তাঁদের জানিয়ে রাখা ভালো, তিনি …

আরও পড়ুন »

স্বপ্ন হয়ে গেল ‘স্বপ্নের সেতু’! চিরতরে ছুটি নিল লছমনঝোলা

 কিশোর ঘোষ: হৃষীকেশের সুবিখ্যাত ঝুলন্ত সেতু লছমনঝোলা চিরতরে ছুটি নিল। মানে গঙ্গাবক্ষের বিখ্যাত সেতুটি নেই হয়ে গেল! বিশেষজ্ঞরা জানিয়ে দিয়েছেন, তাকে সারিয়েও আর চালানো সম্ভব না। ফলে সেতুটিকে ‘মুক্তি’ দিতে চলেছে স্থানীয় প্রশাসন। স্বভাবতই একথা শুনে গোটা দেশের মন খারাপ। গড় ভারতীয়ের ভ্রমণের অ্যালবামে লছমনঝোলার স্মৃতীচিত্র আছেই। তাছাড়া কত সন্তের …

আরও পড়ুন »